অলকের বিদায়ে আক্ষেপ করলেন রাজিন

3

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন অলক কাপালি। তাও এমন একটি দিনে যেদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে পেশোয়ার টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিকের নজির গড়েছিলেন। হুট করে সতীর্থের বিদায়ে ভেঙে পড়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহ। জাতীয় দল ছাড়াও দীর্ঘদিন অলকের সঙ্গে খেলেছেন রাজিন। এমনকি তারা দু’জন সিলেট বিভাগের হয়ে কাঁধে কাঁধ রেখে ২২ গজেও লড়েছেন। ফেসবুকে তাই আবেগঘন এক পোস্ট ভেসে ওঠে রাজিন সালেহর, ‘সময়ের বিবর্তনে আমরা এত কাছের মানুষগুলো কীভাবে এত দূরে সরে গেলাম।’ রাজিন সালেহ চেয়েছিলেন মাঠ থেকে বিদায় নিক অলক।

কিন্তু সেটি না হওয়ায় আক্ষেপ ঝরেছে, ‘গত সোমবার নিউজ পেপার, ফেসবুক পেজের মাধ্যমে দেখতে পেলাম অলক কাপালি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে বিদায় জানালেন। এইভাবে বিদায়টা মানতে পারলাম না। এইবছর একটা ম্যাচ খেলে মাঠ থেকে বিদায় নিলে ভালো হতো। জানি না কেন’ রাজিন সালেহের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ বিদায় বেলায় সতীর্থদের পাশে থাকতে না পারা, ‘অন্তত আমি চেয়েছিলাম তোমার বিদায় বেলায় পাশে থাকবো। যেমনটি ছিলে তুমি। আমার শেষ খেলার দিনে তুমি বলেছিলে, রাজিন ভাই তোমার শেষ খেলায় আমার সব কিছু পরে (ক্রিকেট কিটস) তুমি খেলো। তাহলে আমাকে তোমার মনে থাকবে। অলক তোমাকে আমার মনে থাকবে। তোমার সঙ্গে আমার খেলার অনেক অনেক স্মৃতি বিজড়িত। তোমার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি।’

পাশাপাশি সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতাও জানান রাজিন, ‘তোমার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ সিলেটেকে অনেক কিছু উপহার দেওয়ার জন্য। তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করছি ভাই।’ কাপালির প্রথম শ্রেণিতে অভিষেক ২০০১ সালে। তার পরের বছরই জায়গা করে নেন জাতীয় দলে। খেলেছেন ১৭টি টেস্ট। দুই হাফসেঞ্চুরিতে ৫৮৪ রান সংগ্রহ করেছেন। উইকেটও নিয়েছেন ৬টি। ১৭২ ম্যাচে অলকের সংগ্রহ ৯ হাজার ১৩৮ রান। ২০টি সেঞ্চুরি ছাড়া আছে ৩৭টি হাফসেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ২২৮। এ ছাড়া বল হাতে নিয়েছেন ২২৭টি উইকেট। গত মৌসুমে ৯ হাজার রানের মাইলফলকেও পৌঁছেছেন।