আবারো অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন সাবালেঙ্কা

3

আসরের শুরু থেকে একের পর এক চমক দেখিয়ে, বিস্ময় জাগিয়ে ফাইনালে উঠে আসা জং চিংওয়ান শেষ ধাপে তেমন কিছুই করতে পারলে না। তাকে একরকম গুঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মুকুট ধরে রাখলেন আরিনা সাবালেঙ্কা। মেলবোর্নের রড লেভার অ্যারেনায় শনিবার নারী এককের একপেশে ফাইনালে ৬-৩, ৬-২ গেমে জিতেছেন বেলারুশের তারকা। সাবালেঙ্কার দাপুটে পারফরম্যান্সে সোয়া এক ঘণ্টাতেই শেষ হয়ে যায় লড়াই। ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের হাতছানিতে কোর্টে নামলেও সাবালেঙ্কার অভিব্যক্তিতে ছিল না তেমন কোনো স্নায়ুচাপের ছাপ।

তার পারফরম্যান্সও ছিল প্রায় নিখুঁত। শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেই ২০১৩ সালের পর প্রথম নারী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শিরোপা ধরে রাখার কীর্তি গড়লেন তিনি। সবশেষ এই কীর্তি গড়েছিলেন সাবেক নাম্বার ওয়ান ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা; ২০১২ ও ২০১৩ সালে এখানে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তিনি। অসাধারণ এই কীর্তি গড়ে এবং দ্বিতীয় মেজর ট্রফির স্বাদ পেয়ে আনন্দের সীমা নেই ২৫ বছর বয়সী সাবালেঙ্কার। “চমৎকার দুটি সপ্তাহ কাটল এবং কল্পনাও করতে পারিনি যে এই ট্রফিটা আরও একবার উঁচিয়ে ধরতে পারব।” ফাইনালের তরুণ প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানাতেও ভোলেননি তিনি।

২১ বছর বয়সী চিংওয়ান এবারই প্রথম কোনো গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে উঠতে পারেন। “অস্ট্রেলিয়ায় এবার চিংওয়ানেরও অবিশ্বাস্য দুটি সপ্তাহ কেটেছে। আমি জানি, ফাইনালে হেরে যাওয়া খুব কষ্টের, কিন্তু তুমি অসাধারণ এক খেলোয়াড়, বয়স অল্প। ভবিষ্যতে তুমি অনেক ফাইনালে উঠবে এবং জিতবে।“ অসাধারণ আরেকটি কীর্তি গড়েছেন সাবালেঙ্কা। ফাইনালে ওঠার পথে প্রথম ছয় ম্যাচে কোনো সেট হারেননি তিনি। শেষ ধাপেও সেই দাপট ধরে রেখে এই এলিট ক্লাবে যোগ দিলেন সাবালেঙ্কা; ২০০০ সাল থেকে করতে পেরেছেন কেবল অ্যাশলে বার্টি, সেরেনা উইলিয়ামস, মারিয়া শারাপোভা ও লিন্ডসে ডেভেনপোর্ট।