অপারেটরদের কলড্রপের হিসাব দেওয়া বাধ্যতামূলক : তারানা

61

Rana-Masud-Call-drop-taranaমোবাইল ফোন অপারেটরদের প্রতি মাসে কলড্রপের হিসাব দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। সচিবালয়ে সোমবার মোবাইল ফোন অপারেটরদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন। সেবার মান, কলড্রপ এবং বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রণালয়ের দেওয়া নিন্দেশনার বাস্তবায়ন পর্যালোচনার জন্য এ বৈঠক ডাকা হয়।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অপারেটরদের প্রতি মাসে কলড্রপের সংখ্যা ও অতিরিক্ত কলড্রপের জন্য গ্রাহককে দেওয়া ক্ষতিপূরণের হিসাব টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে দিতে হবেকলড্রপ হচ্ছে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় হঠাৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থার (আইটিইউ) মান অনুযায়ী একশ’ কলের মধ্যে তিনিটি কল ড্রপ গ্রহণযোগ্য।কলড্রপ আইটিইউ’র নির্ধারিত মানের নিচেই হচ্ছে বলে অপারেটররা সভায় দাবি করেছে জানিয়ে তারানা হালিম বলেছেন, ‘এরপরও যদি অতিরিক্ত হয় তারা এর ক্ষতিপূরণ দিতে শুরু করেছেন। এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়েছেন বলে আমাদের তারা জানান।’তিনি বলেছেন, ‘আমরা যেহেতু গ্রাহক পর্যায়ে অভিযোগটি পাচ্ছি, আমরা বলেছি প্রতিমাসে আইটিইউর নির্ধারিত মানের বাইরে কতটি কলড্রপ হলো, কতটি কল ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলো, এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানানো হলো-এ বিষয়ে বাধ্যতামূলকভাবে একটি প্রতিবেদন বিটিআরসিকে (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন) দিতে হবে। যার কপি বিটিআরসি মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে, যাতে মন্ত্রণালয় পুরো বিষয়টি সুপারিভিশন করতে পারে।’জানুয়ারি মাসের প্রতিবেদন ফেব্রুয়ারিতে পাঠাতে অপারেটরদের নিন্দেশ দেন তারানা হালিম।বৈঠকের শুরুতে টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শওকত মোস্তফা জানান, বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী বাংলালিংক ছাড়া আর কোনো অপারেটর কলড্রপে ক্ষতিপূরণ দেয়নি।এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘কলড্রপের বিষয়ে বারবার নিন্দেশনা দেওয়া স্বত্তে¦ও অপারেটরা তা মানছেন না। এ বছরটি হবে গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নের বছর, কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা ভিন্ন কথা বলে। কিন্তু আমরা দেখছি গ্রাহক সেবার প্রতি উদাসীনতা।’এ সময় তিনি তার ফেসবুক পেজে দেওয়া গ্রাহকদের বিভিন্ন ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন।এরপর দেড় ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে আবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারানা হালিম।