অন্যরকম ‘সেঞ্চুরির’ মাইলফলকে মাহমুদউল্লাহ

14

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে টস করতে নেমেই অন্যরকম ‘সেঞ্চুরির’ মাইলফলকে পৌঁছালেন মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টি-টোয়েন্টি খেলার কীর্তি গড়লেন সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের অধিনায়ক। বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেও বিশ্বের সাত ক্রিকেটারের ১০০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০০৭ সালে ১ সেপ্টেম্বর কেনিয়ার বিপক্ষে কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে অভিষেক হয় মাহমুদউল্লাহর। তার অভিষেকের পর বাংলাদেশ খেলেছে ১০৯ ম্যাচ, সেখানে মাহমুদউল্লাহর ম্যাচ ১০০! মাহমুদউল্লাহর পরে মুশফিকুর রহিম ৮৯ ও সাকিব আল হাসান ৮৭ ম্যাচ খেলেছেন। সবচেয়ে বেশি ১১৬ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে শোয়েব মালিকের। এরপর পাকিস্তানের আরেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ হাফিজ খেলেছেন ১১৩ ম্যাচ। ভারতের রোহিত শর্মা ১১১ ম্যাচ খেলে তিন নম্বরে আছেন। ইংলিশ ব্যাটসম্যান ইয়োন মরগান ১০৭ ম্যাচ খেলেছেন। আইরিশ কেভিন ও’ব্রায়েন খেলেছেন ১০৩ ম্যাচ। মার্টিন গাপটিল ও রস টেলর ১০২ ম্যাচ করে খেলেছেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটে ‘আনসান হিরো’ হয়ে আছেন মাহমুদউল্লাহ। দলের প্রয়োজনে সবসময় ব্যাট কিংবা বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ৯৯ ম্যাচে ১২০.১৯ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন ১ হাজার ৭০২। সামনের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার নেতৃত্বেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। শুধু তা-ই নয়, দ্বিতীয় ম্যাচে মাশরাফিকে হটিয়ে সবচেয়ে সফল অধিনায়কের তকমা গায়ে সেঁটেছেন মাহমুদউল্লাহ। ২৪ ম্যাচে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ পেয়েছে ১২ জয়। অন্যদিকে ২৮ ম্যাচে মাশরাফির নেতৃত্বে বাংলাদেশের জয় ছিল ১০টি। এছাড়া বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টি রান সংগ্রাহকের তালিকায় তামিম ইকবালকে টপকে গেছেন মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক। শুক্রবার ৩২ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলার পথে এই মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। রোববার ম্যাচের আগে ৯৯ ম্যাচের ৯১ ইনিংসে ১ হাজার ৭০২ রান মাহমুদউল্লাহর। রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষে আছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডর সাকিব। তার সংগ্রহ ৮৬ ম্যাচের ৮৫ ইনিংসে ১ হাজার ৭৫৫ রান।